জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবা বৃহস্পতিবার রাত থেকে রবিবার পর্যন্ত ডেট্রয়েট অঞ্চলে চরম ঠান্ডা তাপমাত্রা নিয়ে আসার পূর্বাভাস দিয়েছে আর্কটিক শৈত্যপ্রবাহ।
- সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শূন্যের নিচে নেমে যাবে
- প্রচণ্ড ঠান্ডার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে তুষারপাত এবং হাইপোথার্মিয়া।
জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবা পূর্বাভাস দিচ্ছে যে আর্কটিক শৈত্যপ্রবাহের ফলে বৃহস্পতিবার রাত থেকে রবিবার পর্যন্ত ডেট্রয়েট অঞ্চলে চরম ঠান্ডা তাপমাত্রা নেমে আসবে, শুক্রবার ও শনিবারের জন্য একক অঙ্কের উচ্চ তাপমাত্রা এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শূন্যের নিচে থাকবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বিপজ্জনক বাতাসের তীব্রতা শনিবার ও রবিবার -১৫ ডিগ্রির নিচে নেমে যেতে পারে।
মানুষের বাইরে সময় সীমিত করা উচিত এবং প্রচণ্ড ঠান্ডা থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। প্রচণ্ড ঠান্ডা আবহাওয়ার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে তুষারপাত এবং হাইপোথার্মিয়া। আঙুল, গাল, কান, পায়ের আঙ্গুল, এমনকি নাকের ডগা দীর্ঘ সময় ধরে হিমাঙ্কের নিচে থাকলে তুষারপাত হতে পারে।
তুষারপাতের লক্ষণ: অসাড়তা, সাদা বা ধূসর-হলুদ ত্বক, শক্ত বা মোমের মতো ত্বক।
পদক্ষেপ: ঠান্ডার কারণে যদি আপনার শরীরের কোন অংশ অসাড় হয়ে যায়, তাহলে অবিলম্বে ঘরের ভেতরে যান, ভেজা পোশাক খুলে ফেলুন এবং আক্রান্ত স্থানটি ধীরে ধীরে গরম করুন। গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। শরীরের তাপ ব্যবহার করে গরম করুন। কম্বল এবং পোশাকের শুকনো স্তরের নিচে গরম করুন। ম্যাসাজ করবেন না বা হিটিং প্যাড ব্যবহার করবেন না।
হাইপোথার্মিয়া আরও বিপজ্জনক হতে পারে। এই স্বাস্থ্য ঝুঁকিকে শরীরের তাপমাত্রা ৯৫ ডিগ্রির নিচে নেমে যাওয়া হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। হাইপোথার্মিয়ার সতর্কতা লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে অনিয়ন্ত্রিত কাঁপুনি, ক্লান্তি, বিভ্রান্তি, হাত-পা অস্থির হয়ে যাওয়া, স্মৃতিশক্তি হ্রাস, ঝাপসা কথা বলা বা তন্দ্রাচ্ছন্নতা।
পদক্ষেপ: উষ্ণ ঘরে যান। প্রথমে শরীরের কেন্দ্রস্থল - বুক, ঘাড়, মাথা এবং কুঁচকি গরম করুন। মাথা এবং ঘাড় সহ উষ্ণ কম্বলে জড়িয়ে শুকিয়ে রাখুন। যদি শরীরের তাপমাত্রা ৯৫ ডিগ্রির নিচে নেমে যায়, তাহলে অবিলম্বে চিকিৎসার পরামর্শ নিন।
প্রচণ্ড ঠান্ডা সম্পর্কিত আরও নিরাপত্তা টিপস এবং সংস্থানগুলির জন্য, Ready.gov অথবা detroitmi.gov/dhsem দেখুন এবং "winter weather" অনুসন্ধান করুন।